-->
Type Here to Get Search Results !

সুশান্তের গলায় কাপড়ের গিঁট নিয়ে ভাবছে সিবিআই

সুশান্তের গলায় কাপড়ের গিঁট নিয়ে ভাবছে। সিবিআই, আত্মহত্যার তথ্যে বিস্তর অসঙ্গতি


মুম্বই:

কাপড়ের ফাঁসের টুকরাে। আপাতত যার গিঁটেই।সুশান্ত মৃত্যু রহস্যের নয়া জট খুঁজে পেয়েছে সিবিআই। গত ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাটে অভিনেতার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিস। এরপর অন্যান্য জিনিসের মতাে কর্তার ছেড়া টুকরােটিও ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানাে হয়। গত ২৭ জুন তার রিপাের্ট হাতে পায়। মুম্বই পুলিস। আর তারপরই জানা যায়, অভিনেতার গুলার কাপড়ের ফাঁস কম করে ২০০ কেজি ওজন তুলতে সক্ষম। পরে সুশান্তের ঘাড়ে লেগে থাকা। কাপড়ের রােয়ার সঙ্গে ওই কাপড়ের টুকরাের। ফাইবারের হুবহু মিল খুঁজে পায় পুলিস। যার জেরে বিভিন্ন দিক খতিয়ে পােস্ট মর্টেম রিপাের্টে জানিয়ে দেওয়া হয়, গলায় ফাঁস দিয়ে সুশান্ত আত্মঘাতী |

আর এখানেই প্রান বি’-এর গন্ধ পেয়েছে সিবিআই। শক্তপােক্ত কাপড়টি সুশান্ত নিজেই গলায় পেচয়েছিলেন। নাকি অন্য কেউ তাঁকে খুন কিংবা বেহুশ করে দেওয়ার পর গলায় কুর্তার ফাস জড়িয়ে দিয়েছিল, তার তদন্তে আটঘাট বেঁধে নামতে চাইছেন তদন্তকারী অফিসারেরা।

রবিবার অভিনেতার বান্দ্রার ফ্ল্যাটে গিয়ে তাঁরা ১৪ জুনের গােটা ঘটনার ডামি টেস্ট ও পুনর্নির্মাণ করেন। উদ্দেশ্য একটাই। সুশান্ত কি আদৌ স্বেচ্ছায় আত্মঘাতী হয়েছিলেন? নাকি পুরােটাই পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। খুনের পর পুলিসের চোখে ধুলাে দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে রেখেছিল পর্দার আড়ালে থাকা আততায়ীরা।

সূত্রের খবর, ডামি টেস্টের পর মুম্বই পুলিসের তরফে প্রচার করা আত্মহত্যার তত্ত্বে বিস্তর অসঙ্গতি। পেয়েছে সিবিআই। সেই সঙ্গে জোরালাে হয়েছে খুনের সন্দেহও। এদিন অফিসারেরা ফ্ল্যাটে পৌছে ফ্যানের রড় থেকে বিছানার দূরত্ব, সুশান্তের দৈর্ঘ্য, তােষক ও খাটের উচ্চতা-র মতাে একাধিক বিষয়ে মাপজোক চালান। যার পরিপ্রেক্ষিতে উঠে আসে খুনের জল্পনা। মােটেও অমূলক নয়। বরং, খুন কিংবা বেহুশ করে দেওয়ার পর অভিনেতাকে ফ্যানের রডে ঝুলিয়ে। দেওয়ার ধারণায় যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে রাজি হননি তাঁরা। ডাঃ সুধীর গুপ্ত ও তাঁর বিশেষ টিম ময়নাতদন্তের রিপাের্ট পরীক্ষা করবেন।
তারপর এ বিষয়ে পাকাপােক্ত কারণ বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছে সিবিআই। | সােমবারও তদন্তকারীদের একটি বিশেষ দল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আন্ধেরির ওয়াটারস্টোন রিসর্টে উপস্থিত হয়। যেখানে ইউরােপ থেকে ফেরার পর সুশান্ত ও তাঁর বান্ধবী রিয়া প্রায় দু’মাস ছিলেন বলে। খবর। সেই সময় রিসর্টে তাঁরা কীভাবে সময় কাটিয়েছেন অথবা তাঁদের আচরণে কোনও আস্বাভাবিকতা ছিল কি না, তা জানতে রিসর্টের কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআইয়ের কর্তারা। এদিন অফিসারদের অপর একটি দলের। তরফে সুশান্তের অ্যাকাউন্টেন্ট রজর মেওয়াতিকে ডেকে পাঠানাে হয়। পাশাপাশি গুঞ্জন ওঠে, রিয়া। চক্রবর্তীকেও তলব করেছে সিবিআই। যদিও এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন রিয়ার আইনজীবী সতীশ মানেশিণ্ডে। তাঁর সাফ দাবি, সিবিআই কোনও সমন। পাঠায়নি। যদি পাঠায়, তাহলে রিয়া ও তাঁর পরিবার। অবশ্যই হাজিরা দেবেন।
Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
'

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Section