-->
Type Here to Get Search Results !

পানীয় জল প্রকল্প নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, নন্দকুমার বিধানসভা

  • পানীয় জল প্রকল্প নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, নন্দকুমার বিধানসভা
পানীয় জল প্রকল্প নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, নন্দকুমার বিধানসভা


এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের(এডিবি) প্রায় দু’হাজার কোটি টাকায় বাড়ি বাড়ি পানীয় জল প্রকল্পই এবার ভােটে নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর ও নন্দকুমার বিধানসভায় তৃণমূলের ট্রাম্প কার্ড হতে চলেছে। এই মুহুর্তে নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকায় জোরকদমে প্রজেক্টের কাজ চলছে। প্রশাসনিক অনুমােদন মিললেই কাজ শুরু হবে চণ্ডীপুর ও নন্দকুমার বিধানসভা এলাকায়। তার আগে যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে ফেলা হয়েছে। ২০২২সালে নভেম্বর মাসের মধ্যেই তিন বিধানসভায় প্রতিটি পরিবারে দৈনিক মাথাপিছ ৭০লিটার পানীয় জল সরবরাহ করার কথা। সেইসঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের সঙ্কট থেকে রেহাই মিলবে। বিধানসভা ভােটের প্রচারে এই বড় জলপ্রকল্পকে হাতিয়ার করেছে তৃণমূল। খােদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত জানুয়ারি মাসে নন্দীগ্রামে তেখালির জনসভায় ওই | জলপ্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। সেইমতাে তৃণমূল কর্মীরাও | জলপ্রকল্পকে সামনে রেখে ভােট প্রচারে জোর দিচ্ছেন। | উল্লেখ্য, এডিবি-র আর্থিক সহযােগিতায় নন্দীগ্রাম-১ ও

২, চণ্ডীপুর এবং নন্দকুমার ব্লকে প্রতিটি বাড়িতে পরিশ্রুত | পানীয় জল সরবরাহ করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০১৮

১৯ অর্থবর্ষে একটি মেগা স্কিম গ্রহণ করা হয়। শুরুতে শুধুমাত্র নন্দীগ্রাম-১ ও ২ ব্লক নিয়েই ওই স্কিমের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেজন্য বরাদ্দ হয় ৮১১ কোটি টাকা। তারপর অবশ্য প্রকল্পের মধ্যে চণ্ডীপুর এবং নন্দকুমার ব্লককেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৮১১ কোটি টাকার স্কিম এই মুহুর্তে বেড়ে ১০৫০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। এর পাশাপাশি চণ্ডীপুর এবং নন্দকুমার ব্লকের জন্য আলাদা করে ডিপিআর তৈরি করে চারটি ব্লকে পানীয় জলের জন্য ১৯৮৯ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরি করা হয়। ১৯৮৯ কোটির মধ্যে আগেই ৮১১ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। অতিরিক্ত আরও ১১৭৮কোটি টাকা

চাওয়া হয়েছে। | ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সরকারিভাবে কাজ শুরু হয়েছে। তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। অর্থাৎ ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের মধ্যে জেলার চারটি ব্লকের ৭ লক্ষ ৮২ হাজার মানুষের কাছে(২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী) পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে যাবে। দু’দফায় ওই কাজের টেন্ডার হয়েছে। তারমধ্যে প্রথমে নন্দীগ্রাম-১ ও ২ ব্লকে পাইপ লাইন পাতা, ওভারহেড় রিজার্ভার প্রভৃতি রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে নন্দকুমার থানার মীরপুরে রূপনারায়ণ থেকে জল তােলা, ওই থানার জলপাই মৌজায় ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বসানাে এবং নন্দকুমার থেকে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত পানীয় জল নিয়ে যাওয়ার মেন পাইপ লাইন বসানাের কাজের টেন্ডার হয়েছে। ওই প্রকল্পের জন্য গঠিত ইউনিট সূত্রে জানা গিয়েছে, চারটি ব্লকে বেশ কয়েকটি নতুন ওভারহেড রিজার্ভার নির্মাণ করা হবে। যেমন, নন্দীগ্রাম-১ ও ২ ব্লকে

২৯টি ওভারহেড রিজার্ভার হবে। নন্দকুমার ব্লকে ১৮টি এবং চণ্ডীপুর ব্লকে ২০টি ওভারহেড রিজার্ভার নির্মাণ করা হবে। মাথাপিছু ৭০লিটার করে পরিশ্রুত পানীয় জল পাবেন ওই চারটি ব্লকের কয়েক লক্ষ মানুষ। পিআইইউ ইউনিটের সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার শুভাশিস রায় বলেন, এখন নন্দীগ্রামে দ্রুত কাজ এগচ্ছে। নন্দকুমার ও চণ্ডীপুরে ওই প্রজেক্টের প্রশাসনিক অনুমােদন আসেনি। সেটা পাওয়ার পরই কাজ শুরু হবে। | নন্দীগ্রাম-১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি স্বদেশ দাস বলেন,

নন্দীগ্রাম বিধানসভার ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিটি এ পরিবারে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌছে যাবে। এটা

নন্দীগ্রামবাসীর বড় পাওনা। এটা ভােটে নিশ্চয়ই ইস্য হবে। ই তাছাড়া স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে ৭ লড়াই করবেন। এটা আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা।

Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
'

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Section